Money Laundering: ১৫ হাজার কোটি উদ্ধার মোদী-মালিয়াদের মতো পলাতকদের কাছে থেকে

 Subject :- পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইনে অভিযুক্ত ১৯ জন জালিয়াতি করেছেন ৪০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা। তার মধ্যে বিজয় মালিয়া, নীরব মোদীদের মতো পলাতক অভিযুক্তদের কাছে থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধার করেছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী এই পরিসংখ্যান দেন।

অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী রাজ্যসভায় জানান, সরকার এখনও পর্যন্ত বিজয় মালিয়া ও নীরব মোদীসহ পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৫,১১৩ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে। সরকারি খাতের ব্যাঙ্কগুলিতে সেই টাকা দিয়েছে।


তবে তিনি অভিযুক্তদের কার কাছ থেকে কত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, সেই পরিমাণ সংক্রান্ত কোনও বিবরণ দেননি। তবে জানিয়েছেন, ১৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে রয়েছেন বিজয় মালিয়া, নীরব মোদী, নীতিন জয়ন্তীলাল সান্দেসরা, চেতন জয়ন্তীলাল সান্দেসরা, দীপ্তিচেতন জয়ন্তীলাল সান্দেসরা, হিতেশকুমার নরেন্দ্রভাই প্যাটেল, জুনায়েদ ইকবাল মেনন, আসিফ ইকবাল মেনন ও রামচন্দ্রন বিশ্বনাথ নামে ১০ জন।

এই ১০ জনকে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁরা ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি জালিয়াতি করে চম্পট দিয়েছেন দেশ থেকে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এই ৯ জনের বিরুদ্ধে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইন ২০১৮-র অধীনে আবেদন করেছে।


সান্দেসরা ও হিতেশকুমার প্যাটেল গুজরাতের ফার্মা জায়ান্ট স্টার্লিং বোয়াটেকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। একসময় বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম জেলেটিন উৎপাদনকারী ছিল এই সংস্থা। পরবর্তীকালে তা দেউলিয়া হয়ে যায়। মালিকরা তখন ধনী হওয়ার পিছনে ছুটতে থাকেন। তারপর এই সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুট স্টার্ট-আপ ডে অধিগ্রহণ করে।

জুনায়েদ মেনন, হাজরা মেনন ও আসিফ মেনন ছিলেন গ্যাংস্টার ইকবাল মিরচির পরিবারের সদস্য। একসময় দাউদ ইব্রাহিমের ডানহাত ছিলেন। এই তলিকায় দেবাস মাল্টিমিডিয়ার রামচন্দ্রন বিশ্বনাথন ছাড়াও ব্যারন লিডার বিজয় মাল্য ও জুয়েলারি ব্যবসায়ী নীরব মোদীও রয়েছেন।


এই ১৯ জন পলাতক অপরাধীর মধ্যে মাত্র চারজনকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি দ্বারা ভারতে প্রত্যার্পণ করা হয়েছে। বাকিরা এখনও পলাতক। মন্ত্রী এই তথ্যও তুলে ধরেন রাজ্যসভায়। বাকিদেরও প্রত্যার্পণ শীঘ্রই করা হবে বলে আশাবাদী তিনি।

إرسال تعليق

0 تعليقات