যাদবপুরে পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনার পরেই উঠেেছ ব়্যাগিং রুখতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কি কি ব্যবস্থা নিয়েছিল। ব়্যাগিংয়ের কারণেই বাংলার প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপের মৃত্যু হয়। তারপর থেকে গোটা রাজ্য এই নিয়ে তোলপাড়। ঘটনায় যাদবপুরের একাধিক পড়ুয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পরেই রিপোর্ট তলব করেছিল ইউজিসি। সেই রিপোর্ট এক মুহূর্ত দেরি না করে পাঠিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই রিপোর্ট সন্তোষজনক হয়নি।
প্রশ্নে সিংহভাগ জুড়েই ব়্যাগিংয়ের প্রসঙ্গ রয়েছে। ব়্যাগিং বন্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কী কী ব্যবস্থা নিয়েছিল? ব়্যাগিং রুখতে কোনও হেল্পলাইন নম্বর ছিল কিনা, ইউজিসির গাইডলাইন মানা হয়েছিল কিনা, ব়্যাগিং হলে পড়ুয়ারা কোথায় অভিযোগ জানাবে তা জানানো হয়েছিল কিন। তারা ব়্যাগিং হলে কি করবে সে সম্পর্কে কোনও তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পড়ুয়াদের দিয়েছিল কিনা এরকম একাধিক প্রশ্ন করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন পড়ুয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে মূল অভিযুক্ত সৌরভকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তারপরে ধাপে ধাপে আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেকেই ঘটনার পর হোস্টেল ছেড়ে বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে প্রাক্তনদের প্রবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় প্রাক্তন ছাত্রদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে।
গতকাল লালবাজারে তলব করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে। তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছে। এমনকি ডিনকে যাদবপুর থানায় ডেকেও দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়। গতকাল পড়ুয়াদের একাংশ ডিনকে ঘেরাও করে রেখেছিলেন। তার পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন পড়ুয়ারা।


0 تعليقات