নতুন করে উত্তেজনা ছড়াতে শুরু করেছে মণিপুরে। গতাকাল থেকেই দফায় দফায় পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইম্ফলের কাছে বিষ্ণুপুরে পর পর নিরাপত্তারক্ষীদের ক্যাম্পে হামলা চালায় জনতা।
শয়ে শয়ে লোক এসে ঘিরে ফেলেছিল নিরাপত্তা রক্ষীদের ক্যাম্প। সেখান থেকে প্রচুর অস্ত্র লুঠ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অস্ত্রের মধ্যে একাধিক অত্যাধুনিক অস্ত্রসশস্ত্র ছিল। সেগুলি লুঠ করে চম্পট দিয়েছে জনতা। পুলিশ সূত্রে খবর হামলাকারীদের মধ্যে মহিলা এবং পুরুষ উভয় ছিলেন। তাঁরা কেইরেনপাবি থানায় এবং থাঙ্গোয়ালপানি থানায় হামলা চালায়।
হামলাকালীদের সঙ্গে পুলিশের গুলিিবনিময়ও হয়েেছ হামলাকারীদের। গুলিতে তিনজন আহত হয়েছেন। তার মধ্যে একজন পুলিশকর্মী রয়েছেন। পশ্চিম ইম্ফলে পুলিশের ক্যাম্পে হামলা চালানোর ঘটনায় এক পুলিশ কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। স্পিন্টার দিয়ে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে মণিপুরের বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচন্দ্রপুরের সীমানায় গতকাল প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ জন জমায়েত করেন। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় তাতে পালাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হিংসার ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে মণিপুরে। একের পর এক জায়গায় অশান্তির ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে।
গত তিন মাস ধরে মণিপুরের অশান্তি আর হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে মণিপুর। ধর্ষণ, গণধর্ষণ, জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা থেকে শুরু করে খুন সবরকমের ঘটনা ঘটেছে। এই অশান্তির নেপথ্যে বড় কোনও চক্রান্ত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একাধিক জায়গায় েসনাবাহিনী এবং পুলিশের উপরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া মণিপুের দুই মহিলার ভিডিও ঘিরে গোটা দেশে শোরগোল পড়ে গিয়েছে
মণিপুরের আঁচ এসে পড়েছে রাজধানী দিল্লিতেও। মণিপুের শান্তি স্থাপনে মোদী সরকার ব্যর্থ অভিযোগ করে বিরোধীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। কোনও অধিবেশনে তাঁরা যোগ দিচ্ছেন না। প্রদানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধা অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিরোধীরা। মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও অভিযোগ জানিয়েেছন বিরোধীরা।


0 মন্তব্যসমূহ