INDIA on Rahul Gandhi: রাহুলের স্বস্তিতে খুশি মমতা, ‘ইন্ডিয়া’র বিরোধী ঐক্য আরও জোরদার

 রাহুল গান্ধী সুপ্রিম কোর্টে মোদী পদবি মামলায় বিরাট স্বস্তি পেয়েছেন। একইসঙ্গে পেয়েছেন কারাদণ্ডের সাজা থেকে মুক্তি। রাহুলের সেই স্বস্তির খবরে খুশির বার্তা দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 'ইন্ডিয়া'র ঐক্যের বার্তাও জোরদার হল রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম-জয়ে।

রাহুল গান্ধীর উপর থেকে কারাদণ্ডের খাঁড়া নোমো যাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করেন। টুইটে তিনি লেখেন, রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ার খবর স্বস্তিদায়ক। তা আমাদের মাতৃভূমির জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার শক্তি জোগাবে। ইন্ডিয়া জোটকে জয়ী করার জন্য আমাদের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।


রাহুলের মুক্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা বিরোধী মঞ্চ 'ইন্ডিয়া'র ঐক্যকে যে শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ করবে, তা বলাই বাহুল্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জয়কে বিচারবিভাগের জয় বলে উল্লেখ করেছেন। বিরোধীদের জোটবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে তা শক্তি জোগাবে বলে তিনি মনে করছেন।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রাহুলের স্বস্তির খবরে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী থেকে শুরু করে বিরোধী ঐক্যের অন্যান্য নেতারাও। সেই তালিকা নেহাত কম নয়। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, এম কে স্ট্যালিন প্রমুখ।

অধীর চৌধুরী বলেন, সত্যমেব জয়তে। রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে এই দেশে বিচারব্যবস্থা অটুট রয়েছে। এটি ঘৃণার বিরুদ্ধে ভালোবাসার জয়। মমতা-অধীরের মতো সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবও এই ঘটনায় বিচারব্যবস্থায় জয় দেখছেন।

অখিলেশ যাদব টুইট করে জানান, সুপ্রিম কোর্টে রাহুল গান্ধীর স্বস্তিতে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আরও আস্থা বাড়ল। একইসঙ্গে বিজেপির অহংকার ধাক্কা খেল। ইন্ডিয়া জোটের আর এক শরিক আরজেডির তেজস্ব যাদবও সুপ্রি্ম কোর্টের এই রায়তে স্বাগত জানিয়েছেন।


তিনি টুইটে লিখেছেন, বিজেপি বড়ো ধাক্কা খেল। এই ধাক্কা না লাগলে বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের তারা আরও ষড়যন্ত্রের শিকার বানাতে সাহস পেত। এই সত্যের জয়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিচারব্যবস্থার উপর মানুষের বিশ্বাসকে অটুট রাখবে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ।


এদিকে সুপ্রিম কোর্টে বিরাট জয়ের পরও নির্লিপ্ত রাহুল গান্ধী দু-এক কথায় বলেন, "ভারতের ধারণা রক্ষায় কাজ করে যাবেন। যাই হোক না কেন, আমরা দায়িত্ব একই রয়ে গিয়েছে। আমি জানি আমাকে কী করতে হবে।" আসলে ঘৃণা নয় ভালোবাসার বাঁধনে তিনি সবাইকে বাঁধতে চান। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ভারত জোড়া যাত্রায় সেই কথাই তিনি ফলাও করে বলে গিয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ