প্রতিবছর দেশবাসী আনন্দের সঙ্গে পালন করেন স্বাধীনতা দিবস। এই বিশেষ দিনে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। সেই সঙ্গে পতাকা উত্তোলন করা হয়।
পাড়ায় পাড়ায় চলে নানান অনুষ্ঠান। আড়ম্বরের সঙ্গে সকলে পালন করেন স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা দিবসের ঘুড়ি উড়ানোর এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
১৯২৭ সালের সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন দেশবাসী। তখন স্বাধীনতা কর্মীরা গো ব্যাক সাইমন স্লোগান দিয়েছিলেন। এই স্লোগানে লেখা ঘুড়ি উড়েছিল আকাশে। যার পর থেকে ১৫ অগাস্ট দেশবাসী এই দিনে ঘুড়ি উড়িয়ে থাকেন।দেশপ্রেম জাগানো
স্বাধীনতা দিবস প্রত্যেকটি দেশবাসীর কাছে এক আলাদা আবেগ অনুভূতি। এই স্বাধীনতা দিবসে আকাশে উড়ে প্রচুর ঘুড়ি তার কারণ ঐদিন ঘুড়ি ওড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্মরণ করা হয় সেই সাইমন বিক্ষোভের কথা। তাছাড়া দেশপ্রেমকে জাগানো। তাই এই বিশেষ দিনে সকলেই ঘুড়ি উড়িয়ে থাকে। সেই সঙ্গে আমাদের মনে পরে স্বাধীনতার কথা।
মজাদার বিষয়
তেরঙ্গা রঙের ঘুড়ি এই দিন সকালে আকাশে ওড়ার একটা আলাদা অনুভূতি রয়েছে। ঐতিহাসিক স্মৃতিগুলিকে আরোও তুলে ধরা, দেশের প্রতি ভালোবাসা, আমরা যে দেশের নাগরিক তার জন্য গর্ববোধ করা। তাছাড়াও সৃজনশীল ও মজাদার একটি বিষয়ের জন্য আমরা এই বিশেষ দিনে এখনও ঘুড়ি উড়িয়ে থাকি।
বীর শহীদদের কথা মনে পড়েআজ থেকে অনেক বছর আগে থেকেই বিশেষ দিনে ঘুরিয়ে উড়িয়ে থাকেন দেশবাসী, ঘুড়ি যেমনি অনেক দূর দূরান্ত পর্যন্ত চলে যায়, আমাদেরও মনে পড়ে পুরনো অতীতের কথা অর্থাৎ দেশের পুরনো অতীতের কথা আমাদের স্মরণ মনে পড়ে যায়। কত সংগ্রাম করে দেশকে স্বাধীন করেছেন বীর শহীদরা।
পরিবারের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠি
স্বাধীনতা দিবসে ছোট থেকে বয়স্ক সকলেই কিন্তু ঘুড়ি উড়ান, এই ঘুড়ি ওড়ানো স্বাধীনতা দিবস আমরা আড়ম্বম্ভের সঙ্গে পালন করি। বাড়িতে থেকেও আমরা সকালের পতাকা উত্তোলনের পর ঘুড়ি ওড়াই বিকেল বেলা, সেই সঙ্গে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ করি।
পরিবেশকে আরও সুন্দর করে তোলা
যখন আকাশে একটি সুন্দর তেরঙ্গা রঙের একটি ঘুড়ি আকাশে উড়তে দেখা যায়, কী সুন্দর দেখতে লাগে, পরিবেশও যেন আরোও সুন্দর ও মনোরম হয়ে ওঠে।



0 মন্তব্যসমূহ