Chandrayaan 3: তৈরি হল নয়া ইতিহাস, চাঁদের অন্ধকার দিকে পা রাখল ভারত

 Chandrayaan 3: তৈরি হল ইতিহাস। চাঁদ ছুঁল ভার‍ত। গত কয়েকদিন ধরে গোটা বিশ্ব Chandrayaan 3 এর অভিযানের দিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। শেষ মুহূর্তে কোনও অঘটন ঘটবে না তো? একেবারে চাপা টেনশন। কিন্তু শেষমেশ সফল ভারত। সফল ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান।

চাঁদের মাটি ছুঁল চন্দ্রায়ন তিনের ল্যান্ডার বিক্রম। আর সেই ইতিহাস তৈরি হতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ইসরোর গবেষক থেকে বিজ্ঞানীরা। হাততালিতে ভরে যায় গোটা কন্ট্রোল রুম। শুধু তাই নয়, ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেন, "India is on the Moon"

অন্যদিকে বিদেশে বসে গোটা মুহূর্তের সাক্ষী থাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের চন্দ্রযান তিন চাঁদের মাটি ছুঁতেই জাতীয় পতাকা নাড়তে শুরু করেন। শুধু তাই নয়, এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত গবেষককে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের এই অভিযান চাঁদ নিয়ে থাকা সমস্ত মিথ ভেঙে দেবে।

শুধু তাই নয়, আগামীদিনে চাঁদ নিয়ে আরও নানা তথ্য সামনে আসছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আরও বলেন, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হয় কীভাবে সফল হওয়া যায়। এই মুহূর্তে গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে উচ্ছ্বাস। বিভিন্ন জায়গায় উৎসবে শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই চন্দ্রায়ন তিনের সফলতা কামনায় গোটা দেশজুড়ে ছিল চাপা টেনশন। কোথাও চলছিল পুজো অর্চনা তো কোথাও চলছিল বিশেষ প্রার্থনা।

আর শেষমেশ চন্দ্রায়ন সফল হতেই শুরু হয়ে যায় উৎসব। বলে রাখা প্রয়োজন,বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন, ভারতীয় সময় ২৩ আগস্ট সময় সন্ধ্যা ৬ টা ৪ মিনিটে বিক্রম চাঁদের মাটি ছোঁবে। একটা সময়ে বিক্রম চাঁদের গতির সঙ্গে সমান্তরাল গতিবেগে চলে আসে।

এই অবতরণের সময়েই বিক্রমের দায়িত্ব ছিল অনেক বেশি। কারণ, ল্যান্ডিংয়ের সঠিক জায়গা বাছাই করার কাজ ছিল তারই উপর। ২.৪ × ৪ বর্গ কিলোমিটার জায়গাকে আগে থেকেই বাছাই করা হয়েছিল। কিন্তু সঠিক জায়গা নির্বাচনের দায়িত্ব ছিল বিক্রমেরই।

ইসরোর বিজ্ঞানীরা প্রত্যেকেই তখন চরম ব্যস্ততায়। এক একটি ধাপ পেরোচ্ছে বিক্রম। আর উৎসাহে হাততালি দিয়ে উঠছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। ২০০ জন বিজ্ঞানীর চোখ ও মস্তিস্ক বিক্রমের অবতরণের দিকেই ছিল। সব বাধা, উঁচু জমি, খাঁদ কাটিয়ে সঠিক জায়গা বাছাই করল বিক্রম। এরপর অন্তিম মুহূর্তে পাখির পালকের মতো চাঁদের মাটি ছুঁলো বিক্রম।

 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ