Bankura : একেবারেই সরতে নারাজ, মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে অতিকায় মহাকাল, থমকে গেল জামবনীর যান চলাচল

 ফের পথ অবরোধে সামিল দলছুট এক দাঁতাল। রবিবার ভোর থেকে টানা আড়াই ঘন্টা বাঁকুড়া-পশ্চিম মেদিনীপুর সীমান্তের সিমলাপালের জামবনির জঙ্গলের রাস্তার উপর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার পর, সোমবার ভোর থেকেই একই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন ওই এলাকার মানুষ।

বাঁকুড়ার সিমলাপালের বিক্রমপুর থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের আমলাশুলী গামী রাস্তার উপর জামবনীর জঙ্গলের ঠিক বাঁকের মুখে গজরাজের এই পথ অবরোধের ফলে এদিনও আটকে পড়ে বেশ কিছু যাত্রী ও পণ্যবাহি যানবাহন। বাস থেকে নেমে অবরোধকারী গজরাজের ছবি তুলতেও দেখা যায় বেশ কয়েকজন অতি উৎসাহী যাত্রীকে, যা যথেষ্ট বিপজ্জনক বলেই অনেকে জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন ধরেই ওই ঐলাকার জঙ্গলে রয়েছে হাতিটি, মাঝে মধ্যেই খাবারের সন্ধানে গ্রামে ঢুকে পড়লেও এভাবে পথ অবরোধের ঘটনা এই প্রথম। দু'দিন ধরে ঠিক কোন দাবিতে তার এই পথ অবরোধ বিষয়টি স্পষ্ট নয় কারো কাছেই। এমনকি এই ঘটনার বাখ্যা নেই বনদপ্তরের কাছেও। বনদপ্তরের দুবরাজপুর বীট অফিসার বৈদ্যনাথ টুডু টেলিফোনে বলেন, ঠিক কি কারণ বলা জটিল, গতকালের পর আজও রাস্তার উপর দাঁড়িয়েছিল। তবে দিনের বেলায় কোনভাবেই হাতিটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।

এই ঘটনায় সবচেয়ে বেশী সমস্যায় পড়ছেন ওই এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা রাকেশ দত্ত বলেন, গত দু'দিন ধরে পথ আটকে দাঁড়িয়ে থাকছে হাতি, বনদপ্তর এবিষয়ে সদর্থক ভূমিকা পালন না করায় তারাই সব থেকে বেশী সমস্যায় পড়ছেন বলে তিনি জানান।


এক, দুই করে প্রায় আড়াই ঘন্টা...ঠিক কি দাবিতে পথ অবরোধ বোঝাতে অক্ষম গজরাজ, আর অবলা প্রাণীর মনের ভাষা বুঝতেও অক্ষম মনুষ্যকূল। ফলে এদিও টানা আড়াই ঘন্টা অবরোধ শেষে বিফল মনোরথে ফের জঙ্গলের পথ ধরেন গজরাজ, হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন আটকে পড়া মানুষও।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ