Subject :-গতকাল থেকেই বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। মৎস্যজীবীদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। আজ আবার পূর্ণিমা। কাজেই ফরাকোটালের জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রমাদ গুণছেন সুন্দরবনের বাসিন্দারা।
আজও মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘার উপকূলে মাইকিং করা হচ্ছে। পর্যটকদের উত্তাল সমুদ্রের ধারে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। গতকাল থেকেই সমুদ্র ক্রমশ ফুঁসে উঠতে শুরু করেছে। শুধু দিঘা-মন্দারমনি নয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকা সুন্দরবনেও উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র।
এদিকে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ তার উপরে পূর্ণিমার ভরা কোটাল। গতকাল থেকে সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাসের কারণে সুন্দরবনের নামখানা ও সাগর ব্লকে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেচ দফতর সেটা দ্রুত সারানোর কাজ শুরু করেছে। কিন্তু আবহাওয়ার কারণে সেটা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে।
শুধু নামখানা নয় ফ্রেজারগঞ্জ ও মৌসুনীতেও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৫০০ িমটারের মতো বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে। ফ্রেজারগঞ্জে বিজয়বাটি এলাকায় বাঁধে ধস নেমেছে ফলে জল ঢুকতে শুরু করেছে এলাকায়। অন্যদিকে সাগরের বঙ্কিমনগর, মহিষমারি, কাকদ্বীপের তিলকচন্দ্রপুরে বাঁধ উপচে জল ঢুকছে গ্রামে। কুলপিতেও হুগলি নদীর বাঁধে ধস নেমেছে।
গতকাল থেকেই ডায়মন্ড হারবারের একাধিক জায়গা জোয়ারের জলে প্লাবিত হয়েছে। একাধিক চাষের জমিতে জল ঢুকে ফসল নষ্ট হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ করছেন সেচদফতরের কর্মীরা। তাঁরা যুদ্ধ কালীন তৎপরতায় কাজ করছে। এদিকে আশঙ্কায় রয়েছেন সুন্দরবন এবং উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। ভরা কোটালের জলোচ্ছ্বাসে সমুদ্রের এবং



0 মন্তব্যসমূহ