উলুবেড়িয়ার সিপিআইএম প্রার্থী কাশ্মীরা বেগম খানের মনোনয়নপত্র ষড়যন্ত্র মামলায় BDO, SDO কে সাসপেন্ড করার সুপারিশ। ষড়যন্ত্র মনোনয়নপত্র বিকৃত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই কাজে বিডিও, এসডিও সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছেন। একইসঙ্গে এই চক্রে যুক্ত অনগ্রসর শ্রেণীর দপ্তরের অফিসার।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দেবী প্রসাদ দের নজরদারিতে তদন্ত করে রাজ্য পুলিশ। তারপর সেই রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা পড়ে। সেই রিপোর্টেরই এই ষড়যন্ত্রের কথা উঠে এসেছে। রিপোর্টে করা সুপারিশে বলা হয়েছে, তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে পদক্ষেপ করতে হবে। তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করার সুপারিশও করেছেন তিনি।
সিপিআইএমের দাবি ছিল মনোনয়নের পরের দিন দেখা যায়, উলুবেড়িয়াকর ১ নম্বর ব্লকের ৭ জন প্রার্থীর ওবিসি সার্টিফিকেট পাওয়া যাচ্ছে না। সেই তালিকায় ছিলেন, উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের বহিরা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিআইএম প্রার্থী কাশ্মীরা বেগম খান এহং ধূলামিসলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী তনুজা বেগম মল্লিক।
দুই প্রার্থীই দাবি করেছিলেন, কাস্ট সার্টিফিকেট জমা করেছিলেন। কাশ্মীরা দাবি করেছিলেন চেকলিস্টে নথি তালিকায় কাস্ট সার্টিফিকেটের ওপরে টিক চিহ্ন দেওয়া হলেও পরে কাটা হয় বলে অভিযোগ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। মামলাকারীদের আইনজীবী আদালতে বলেন, তাঁদের মনোনয়ন পত্র বিকৃত করেছেন উলুবেড়িয়া একের বিডিও নীলাদ্রি শেখর দে।
এই ঘটনায় প্রথমে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। পরে সেই নির্দেশ খারিজ করে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি নির্দেশে বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে-র নজরদারিতে তদন্ত করবে রাজ্য পুলিশ। ডিভিশন বেঞ্চ জানায় সিবিআই তদন্তের মতো উপাদান এই মামলায় নেই।
তারপর ২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার সেই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে কমিটির রিপোর্ট সামনে এসেছে। সেখানে তিন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করা হয়েছে।


0 মন্তব্যসমূহ